top of page

বক্সা দুর্গের ইতিহাস: ডুয়ার্সের পাহাড়ে লুকিয়ে থাকা উপনিবেশ ও বন্দিশিবিরের গল্প

Aug 25
5 min read

বক্সা দুর্গের মানচিত্রে বক্সা পাহাড়, সান্তালাবাড়ি, আলিপুরদুয়ার, রেলপথ ও ডুয়ার্সের যোগাযোগপথ


ডুয়ার্সের ঘন অরণ্যের মধ্যে পাহাড়ের গায়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে একটি ভগ্নপ্রায় দুর্গ। চারদিকে বক্সা টাইগার রিজার্ভের জঙ্গল, নীচে তরাই–ডুয়ার্সের বিস্তীর্ণ সমতল এবং উত্তরে ভুটানের পাহাড়।


আজ বক্সা দুর্গ পর্যটক ও ট্রেকারদের পরিচিত গন্তব্য। কিন্তু এই ধ্বংসাবশেষের ইতিহাস শুধুই পর্যটনের নয়।


ভুটানের সঙ্গে যোগাযোগের পাহাড়ি পথ পাহারা দেওয়া থেকে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক নিয়ন্ত্রণ, রাজনৈতিক বন্দিদের detention camp এবং পরে তিব্বতি শরণার্থী বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের আশ্রয়, বক্সার ইতিহাসে একাধিক অধ্যায় রয়েছে।

এই কারণেই বক্সা দুর্গের ইতিহাস আসলে উত্তরবঙ্গের সীমান্ত, ঔপনিবেশিক শাসন এবং স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসেরও একটি অংশ।


কোথায় বক্সা দুর্গ?

বক্সা দুর্গ পশ্চিমবঙ্গের আলিপুরদুয়ার জেলায়, বক্সা টাইগার রিজার্ভের পাহাড়ি অঞ্চলে অবস্থিত।


West Bengal Tourism-এর তথ্য অনুযায়ী, দুর্গটির উচ্চতা প্রায় ২,৬০০ ফুট। ঘন অরণ্যের মধ্যে পাহাড়ের উপরে অবস্থানের কারণেই এটি দীর্ঘদিন একটি দুর্গম স্থান হিসেবে পরিচিত ছিল।


বর্তমানে এই অবস্থানই বক্সাকে ইতিহাস ও প্রকৃতিনির্ভর পর্যটনের একটি আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত করেছে।

কিন্তু অতীতে এই দুর্গমতাই ছিল তার সামরিক এবং পরে কারাগার হিসেবে ব্যবহারের অন্যতম কারণ।



বক্সা দুর্গের ইতিহাস বহন করা ঐতিহাসিক দুর্গের ধ্বংসাবশেষ, ডুয়ার্স
By AnB Ankush Banerjee - Own work, CC BY-SA 4.0, https://commons.wikimedia.org/w/index.php?curid=110599627


‘বক্সা দুয়ার’ নামের মধ্যেই রয়েছে সীমান্তের ইতিহাস

ডুয়ার্স শব্দটির সঙ্গে ‘দুয়ার’ বা প্রবেশপথের ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে।


হিমালয়ের পাদদেশ থেকে ভুটানের দিকে যাওয়ার বিভিন্ন পাহাড়ি পথের মধ্যে Buxa Duar ছিল গুরুত্বপূর্ণ।

বক্সা দুর্গের প্রাথমিক ইতিহাস নিয়ে বিভিন্ন বর্ণনা রয়েছে এবং দুর্গটির প্রথম নির্মাণের নির্দিষ্ট সময় ও নির্মাতা সম্পর্কে সব সূত্র একমত নয়।


তবে এটি ভুটান ও সমতলের মধ্যবর্তী যোগাযোগপথ নিয়ন্ত্রণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পাহাড়ি অবস্থান ছিল—এই বৃহত্তর ঐতিহাসিক ভূমিকা সুপ্রতিষ্ঠিত।


ভুটান থেকে ব্রিটিশদের হাতে বক্সা

ঊনবিংশ শতকে ব্রিটিশ ভারত ও ভুটানের মধ্যে ডুয়ার্স অঞ্চল নিয়ে সংঘাত বাড়তে থাকে।


এর পরিণতি ঘটে ১৮৬৪–৬৫ সালের Anglo-Bhutan War বা Duar War-এ।


যুদ্ধের পর Treaty of Sinchula-র মাধ্যমে ১৮৬৫ সালে Bengal Duars-এর উপর ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়। বক্সাও ব্রিটিশ প্রশাসনের অধীনে আসে।


এরপর দুর্গের কাঠামো পরিবর্তন ও শক্তিশালী করা হয় এবং পরবর্তী সময়ে এর ভূমিকা সামরিক outpost থেকে অন্য দিকে মোড় নেয়।





কীভাবে দুর্গ থেকে বন্দিশিবির হয়ে উঠল বক্সা?

বক্সার ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শুরু হয় বিংশ শতাব্দীতে।


ব্রিটিশ সরকার রাজনৈতিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত বন্দিদের সাধারণ জনজীবন ও রাজনৈতিক কেন্দ্র থেকে বিচ্ছিন্ন রাখার জন্য দুর্গম detention camp ব্যবহার করত।


বক্সার ভৌগোলিক অবস্থান সেই উদ্দেশ্যের জন্য উপযুক্ত ছিল—পাহাড়, ঘন জঙ্গল এবং প্রধান শহর থেকে দূরত্ব।


ঐতিহাসিক গবেষণা অনুযায়ী, ১৯৩০ থেকে ১৯৩৭ সাল পর্যন্ত Bengal Criminal Law Amendment Act-এর অধীনে Buxa detention camp হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল। পরবর্তী সময়েও বিভিন্ন পর্যায়ে জেল হিসেবে এর ব্যবহার হয়।


কারা বন্দি ছিলেন বক্সায়?

বক্সায় স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত বহু রাজনৈতিক কর্মী ও বিপ্লবীকে আটক রাখা হয়েছিল।


তাঁদের মধ্যে অনুশীলন সমিতি এবং যুগান্তর-এর সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরাও ছিলেন। সরকারি Azadi Ka Amrit Mahotsav archive-এ বিপ্লবী পূর্ণানন্দ দাশগুপ্তকে Buxa Camp-এ রাজনৈতিক বন্দি হিসেবে রাখার তথ্য রয়েছে।


বক্সার ইতিহাসে কৃষ্ণপদ চক্রবর্তীসহ আরও বেশ কয়েকজন বিপ্লবীর নামও পাওয়া যায়।


এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংবাদিকতার সতর্কতা প্রয়োজন।


বক্সায় ঠিক কোন কোন বিখ্যাত জাতীয় নেতা বন্দি ছিলেন, তা নিয়ে জনপ্রিয় ইতিহাস, পর্যটনকথা এবং গবেষণার মধ্যে কিছু অসঙ্গতি রয়েছে। তাই নির্ভরযোগ্য archival evidence ছাড়া কোনও বিখ্যাত ব্যক্তির নাম নিশ্চিতভাবে Buxa prisoner হিসেবে লেখা উচিত নয়।





বন্দিশিবিরের ভিতরেও থামেনি প্রতিবাদ

বন্দিত্বের মধ্যেও সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থামেনি।

ঐতিহাসিক নথি অনুযায়ী, ১৯৩১ সালের মে মাসে বক্সার বন্দিরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৭০তম জন্মবার্ষিকী পালন করেন এবং তাঁর নাটক শেষ বর্ষণ মঞ্চস্থ করেন। একই বছর হিজলি বন্দিশিবিরে বন্দিদের উপর গুলি চালানোর ঘটনার প্রতিবাদও করেছিলেন বক্সার রাজনৈতিক বন্দিরা।


স্বাধীনতার পরেও শেষ হয়নি বক্সার বন্দিশিবির অধ্যায়

১৯৪৭ সালে ভারত স্বাধীন হওয়ার পর বক্সার ভূমিকা সঙ্গে সঙ্গে শেষ হয়ে যায়নি।


গবেষণায় স্বাধীনতার পরেও কিছু সময়ের জন্য বক্সাকে special jail হিসেবে ব্যবহারের উল্লেখ রয়েছে।


এরপর আন্তর্জাতিক রাজনীতির এক বড় পরিবর্তন বক্সাকে সম্পূর্ণ নতুন ভূমিকায় নিয়ে যায়।


১৯৫৯: বক্সায় এলেন তিব্বতি শরণার্থীরা

১৯৫৯ সালের Tibetan uprising এবং দালাই লামার ভারতে আগমনের পর বহু তিব্বতি শরণার্থী ভারতে আশ্রয় নেন।

সেই সময় বক্সার প্রাক্তন detention complex-এর একটি অংশ তিব্বতি শরণার্থী এবং বিশেষ করে বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের আশ্রয়ের জন্য ব্যবহার করা হয়।


Tibetan exile historical records অনুযায়ী, ১৯৫৯ সালের আগস্টে Buxa Transit Camp-এ সন্ন্যাসীদের জন্য refugee camp শুরু হয়, যেখানে বিভিন্ন Tibetan Buddhist tradition-এর সন্ন্যাসী ও সন্ন্যাসিনীদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।


এই অধ্যায় বক্সাকে ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসের পাশাপাশি আধুনিক তিব্বতি diaspora-র ইতিহাসের সঙ্গেও যুক্ত করে।




বক্সার অবস্থান কেন এত গুরুত্বপূর্ণ ছিল?

বক্সা দুর্গের ইতিহাসের সঙ্গে তার ভূগোলকে আলাদা করা যায় না।


ডুয়ার্স ঐতিহাসিকভাবে ভুটানের দিকে যাওয়ার একাধিক ‘দুয়ার’ বা gateway-এর অঞ্চল।


বক্সা সেই পাহাড়ি যোগাযোগ ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল।


এই ভৌগোলিক অবস্থান প্রথমে তাকে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে। পরে একই দুর্গম ভূগোল ব্রিটিশদের কাছে রাজনৈতিক বন্দিদের বিচ্ছিন্ন রাখার উপযুক্ত স্থান হয়ে ওঠে।


অর্থাৎ বক্সার ভূগোলই বারবার তার ইতিহাস নির্ধারণ করেছে।


আজকের বক্সা: বক্সা দুর্গের ইতিহাস, সঙ্গে পর্যটন

আজ বক্সা দুর্গ Buxa Tiger Reserve-এর অন্যতম পরিচিত heritage destination।


West Bengal Tourism-এর মতে, দুর্গে পৌঁছতে পাহাড়ি পথে trek করতে হয় এবং এখান থেকে আরও কয়েকটি trekking route রয়েছে। Rajabhatkhawa-কে Buxa Tiger Reserve-এর gateway হিসেবেও তুলে ধরা হয়।


ফলে একটি ভ্রমণে পর্যটকরা একই সঙ্গে দেখতে পারেন,


বক্সার অরণ্য, পাহাড়, দুর্গের ধ্বংসাবশেষ এবং ডুয়ার্সের ইতিহাস।


এটাই বক্সাকে সাধারণ heritage monument থেকে আলাদা করে।



বক্সা কি উত্তরবঙ্গের বড় Heritage Tourism Circuit হতে পারে?

সম্ভাবনা রয়েছে।


আলিপুরদুয়ার–রাজাভাতখাওয়া–বক্সা–জয়ন্তীকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই একটি nature-tourism circuit রয়েছে।

এর সঙ্গে যদি বক্সার ইতিহাসকে গবেষণাভিত্তিক museum, interpretation centre, archival exhibition এবং heritage trail-এর মাধ্যমে তুলে ধরা যায়, তাহলে অঞ্চলটি nature + history tourism-এর একটি শক্তিশালী গন্তব্য হয়ে উঠতে পারে।


এতে স্থানীয় guide, homestay, transport এবং ছোট ব্যবসার জন্যও নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।

তবে পর্যটন বৃদ্ধির সঙ্গে Buxa Tiger Reserve-এর পরিবেশগত সংবেদনশীলতার ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি।


বক্সা দুর্গে নতুন সংগ্রহশালা: ইতিহাস সংরক্ষণে বড় উদ্যোগ

ঐতিহাসিক বক্সা দুর্গের সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারের কাজ ইতিমধ্যেই হয়েছে। এবার এই ঐতিহাসিক স্থানকে ঘিরে আরও বড় উদ্যোগের খবর সামনে এসেছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের Directorate of Archaeology and Museums বক্সা দুর্গের conservation ও restoration-এর কাজের কথা উল্লেখ করেছে।


২০২৬ সালের অগস্টে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, বক্সা দুর্গে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের স্মৃতি ও এই অঞ্চলের রাজনৈতিক বন্দিশিবিরের ইতিহাসকে তুলে ধরতে প্রায় ₹১০০ কোটি ব্যয়ে একটি নতুন সংগ্রহশালা তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে একটি বিশেষ gallery তৈরির কথাও বলা হয়েছে।

এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বক্সা দুর্গের পরিচয় শুধু একটি trekking বা heritage destination-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। রাজনৈতিক বন্দিদের ইতিহাস, স্বাধীনতা আন্দোলন এবং উত্তরবঙ্গের ঔপনিবেশিক অতীতকে আরও সংগঠিতভাবে দর্শকদের সামনে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হতে পারে।


তবে এখানে একটি ঐতিহাসিক বিষয় সতর্কতার সঙ্গে দেখা জরুরি। নেতাজি নিজে বক্সা দুর্গে বন্দি ছিলেন—এমন দাবি বিভিন্ন প্রতিবেদনে থাকলেও এ নিয়ে ঐতিহাসিক বিবরণে মতভেদ রয়েছে। তাই নির্ভরযোগ্য archival evidence ছাড়া Updated+ এই দাবিকে প্রতিষ্ঠিত তথ্য হিসেবে উপস্থাপন করছে না।





বক্সা দুর্গে তৈরি হচ্ছে নতুন সংগ্রহশালা

বক্সা দুর্গের ইতিহাস সংরক্ষণে এবার বড় উদ্যোগের খবর সামনে এসেছে। ২০২৬ সালের অগস্টে প্রকাশিত একাধিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ সরকার ঐতিহাসিক বক্সা দুর্গে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের স্মৃতিকে কেন্দ্র করে একটি নতুন সংগ্রহশালা তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে। প্রকল্পটির আনুমানিক ব্যয় প্রায় ১০০ কোটি টাকা


প্রস্তাবিত সংগ্রহশালায় ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন এবং বক্সায় আটক রাজনৈতিক বন্দিদের ইতিহাস তুলে ধরার পাশাপাশি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে একটি বিশেষ গ্যালারি তৈরির কথাও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।


শেষ কথা

আজ বক্সা দুর্গের ভাঙা দেওয়ালের দিকে তাকালে তার দীর্ঘ ও বহুস্তরীয় অতীতের গুরুত্ব সহজে বোঝা যায় না।


এক সময় এই পাহাড়ি অবস্থান সীমান্তপথ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল। ঔপনিবেশিক আমলে বক্সা হয়ে ওঠে রাজনৈতিক বন্দিদের আটক রাখার দুর্গম কেন্দ্র। আবার ১৯৫৯-এর পর একই স্থান আশ্রয় দেয় দেশছাড়া তিব্বতি বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের। স্বাধীনতার ইতিহাস, নির্বাসন এবং সীমান্তের ভূগোল, সবই এখানে এসে মিশেছে।

এখন বক্সার ইতিহাসে যুক্ত হতে চলেছে আরও একটি অধ্যায়। দুর্গের সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারের পর সেখানে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ইতিহাসকে কেন্দ্র করে নতুন সংগ্রহশালা তৈরির পরিকল্পনা এই ঐতিহাসিক স্থানকে নতুনভাবে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি করতে পারে।


সঠিক ঐতিহাসিক গবেষণা, নথি সংরক্ষণ এবং তথ্যভিত্তিক উপস্থাপনার মাধ্যমে বক্সা ভবিষ্যতে উত্তরবঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ heritage tourism কেন্দ্র হিসেবেও আরও পরিচিত হয়ে উঠতে পারে।


বক্সা তাই শুধু ডুয়ার্সের একটি trekking destination নয়, এটি সীমান্ত, ঔপনিবেশিক শাসন, স্বাধীনতা আন্দোলন, নির্বাসন ও প্রতিরোধের বহুস্তরীয় ইতিহাস বহন করে চলা উত্তরবঙ্গের এক গুরুত্বপূর্ণ heritage landscape।


Updated+ Historical Note:

বক্সা দুর্গের প্রাথমিক নির্মাণকাল এবং সেখানে বন্দি কিছু বিশিষ্ট ব্যক্তির পরিচয় নিয়ে বিভিন্ন ঐতিহাসিক বিবরণে মতভেদ রয়েছে। এই প্রতিবেদনে যেখানে তথ্য নিশ্চিত নয়, সেখানে জনপ্রিয় দাবি এড়িয়ে যাচাইযোগ্য সূত্রকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।


World  

India

Technology 

Middle East

Shopping & Buying Guides

UPDATED+বাংলা

Shop Now

প্রযুক্তি ও ভবিষ্যৎ

শপিং ডিল

শিক্ষা ও কর্মসংস্থান

bottom of page